শুক্রবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১২

পবন কল্যাণ

পবন কল্যাণ এর জন্ম ২ সেপ্টেম্বর ১৯৭১ সালে নেল্লরেতে। তার বাবা শ্রী কনিডালা ভেঙ্কট রাও এবং মা শ্রীমতি আঞ্জানা দেবী। পবন কল্যাণ এর আসল নাম কনিডালা কল্যাণ বাবু। কিন্তু ১৯৯৬ সালে তার প্রথম ছবি 'আক্কাদা আব্বাই ইক্কাদা আম্মাই' তে অভিনয়ের পূর্বে নাম বদলে রাখেন পবন কল্যাণ।
পবন কল্যাণ
তেলেগু ছবির জীবন্ত কিংবদন্তি চিরঞ্জিবীর ও অভিনেতা-প্রযোজক নাগেন্দ্রা বাবুর ছোট ভাই পবন কল্যাণ। পবন কল্যাণ তার সহঅভিনেতা রেনু দেশাইকে বিয়ে করেন যিনি কিনা তার বিপরীতে 'বদ্রি' ও 'জনি'তে ছিলেন। তিনি অনেক বানিজ্যিক ভাবে সফল ও সমালোচকদের মন জয় ছবি উপহার দিয়েছেন।

ভাইয়ের সময়কালে তারই ছায়া থেকে বেরিয়ে দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছেন তিনি। ১৯৯৬ সালে চলচ্চিত্রে প্রথম অভিনয় করেন। অভিনীত প্রথম দুটি ছবি গড়পরতা ব্যবসা করলেও তৃতীয় ছবি ‘সুস্বাগতম’ ইন্ডাস্ট্রিতে তাকে স্বাগত জানায়। ১৯৯৮ সালে ‘থোলি প্রেমা’ ছবিটি আরও এক ধাপ এগিয়ে দেয় পবনকে। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার (তেলেগু) পায় ছবিটি। এরপর একে একে তিনি অভিনয় করেন ‘থাম্মুডু’, ‘বদ্রি’, ‘খুশি’, ‘জলসা’, ‘তিনমার’-এর মতো সফল ছবিগুলোতে। অভিনেতা পরিচয়ের বাইরে পবন কল্যাণ একজন পরিচালক ও কোরিওগ্রাফার। ‘জনি’ (২০০৩) এবং ‘গুদুম্বা শংকর’ (২০০৪) ছবি দুটি পরিচালনা করেছেন তিনি। নিজের ছবি দুটিতে গানও গেয়েছেন। এছাড়া ভালো কারাতেও জানেন তিনি।

পবন কল্যাণ ব্যাপারে কিছু গুরুত্বপূর্ন তথ্যঃ
> পবন কল্যাণ নিরামিষ ভোজী।
> পবন কল্যাণ মার্শাল আর্টে ব্ল্যাক বেল্ট ধারী এবং তার ছবিতে স্টান্ট নিজেই করেন।
> পবন কল্যাণের স্ত্রী রেনু তার প্রায় সব ছবিতে কস্টিউম ডিজাইনার হিসেবে আছেন।
> তামিল অভিনেতা বিজয় এবং ভেঙ্কাটেশ পবন কল্যাণের ভাল বন্ধু এবং তারা সবাই মিলে একটি ছবি করার ব্যাপারে ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
> তামিল ও তেলুগু অভিনেত্রী তৃষা একটি সাক্ষাত্কারে তিনি বলেন যে, তিনি পবন কল্যাণকে ভালবাসেন।
> পবন কল্যাণ তার ফিল্ম 'জনি'র জন্য পরিবেশকদের ক্ষতিপূরণ দিয়েছিলেন।
> পবন কল্যাণ ছিলেন প্রথম দক্ষিন ভারতীয় অভিনেতা যিনি পেপসির বিজ্ঞাপন করেন ছিলেন। টলিউডের অনেক তরুণ অভিনেতা ও অভিনেত্রীরা তাকে আইকন ও আইডল মানেন।

Post Comment

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন